বেঞ্জামিন খরগোশের গপ্পো
বিয়েট্রিক্স পটার
(অনুবাদ: সুস্মিতা কুণ্ডু)
এক সুন্দর হলুদরঙা সকালে একটা ছোট্ট খরগোশ বসে ছিল একটা নদীর ধারে। নাম তার বেঞ্জামিন। আপন মনে বসে বসে সে নিজের কান খোঁচাচ্ছিল একটা খড়কে কাঠি দিয়ে। এমন সময় একটা টাট্টু ঘোড়ার খুরের ‘খট খটাশ-খুট খুটুশ’ আওয়াজ কানে এল। একটা দু-চাকার ঘোড়ার গাড়ি আসছে রাস্তা ধরে। মিস্টার ম্যাকগ্রেগর চালাচ্ছেন গাড়িটা, পাশে বসে আছেন মিসেস. ম্যাকগ্রেগর। মিসেস ম্যাকগ্রেগরের মাথায় আবার বেশ দামি একটা টুপি, রেশমি ফিতে দিয়ে থুতনির কাছে বাঁধা।
যেই না গাড়িটা রাস্তা ধরে এগিয়ে গেল একটু দূরপানে ওমনি বেঞ্জামিন খরগোশ গড়গড়িয়ে নেমে এল রাস্তার ওপর। তারপর থুপুস থাপুস, ধুপুস ধাপুস লাফিয়ে লাফিয়ে রওয়ানা দিল সব সাঙ্গোপাঙ্গোদের খবর দিতে। বেঞ্জামিনের খুড়তুতো মাসতুতো পিসতুতো এইতুতো ওইতুতো ভাইবোনেরা সব থাকে মিস্টার ম্যাকগ্রেগরের বাগানের পেছনের বনটায়।
জঙ্গলটা খরগোশের গর্তে একদম ভর্তি। আর সেই খরগোশের গর্তগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সাফসুতরো গুছনো সাজানো বালির গদিওয়ালা যেটা, সেটায় থাকত বেঞ্জামিনের খুড়তুতো চার ভাইবোন। ফ্লপসি, মপসি, কটন-টেল আর পিটার।
চার ছেলেমেয়েকে নিয়ে একাই বাস করত খরগোশ মা মিসেস ব়্যাবিট। ছানাদের বাবা তো মারা গিয়েছিল সেই কবেই। খরগোশ মা খরগোশের লোমের দস্তানা আর কব্জিঢাকা মাফিতি বানিয়ে দিন গুজরান করত। আমিও তো বাজার থেকে কিনেছিলাম সেই দস্তানা। শুধু শীতের পোশাকই নয়, খরগোশ মা নানারকম ভেষজ ওষধি, রোজমেরি টি, খরগোশদের স্পেশাল তামাক এইসবও বিক্রি করত। তামাক শুনে ভেবো না যেন খরগোশেরা আবার তামাকও খায় বুঝি! খরগোশরা যাকে তামাক বলে সেটা আসলে হল গিয়ে বেগনেরঙা ল্যাভেণ্ডার, বুঝলে?
ছোট্ট বেঞ্জামিন তার ভাইবোনদের সঙ্গে দেখা করতে খুব উদগ্রীব হলেও তাদের মায়ের সামনাসামনি হতে একটু ভয়ই পেত। আন্টি ব়্যাবিট একটু বেশিই কড়া কিনা। আর বেঞ্জামিনের তো মাথায় দুষ্টুবুদ্ধি গিজগিজ করছে। আন্টির কাছে ধরা পড়লেই বিপদ। সেইজন্য বেঞ্জামিন করল কী ফার গাছটার পেছন দিয়ে লুকিয়ে আসার চেষ্টা করল। আর সেটা করতে গিয়েই প্রায় হুড়মুড়িয়ে পড়ল তার ভাই পিটারের ঘাড়ের ওপর।
পিটার তখন আপনমনেই উদাস হয়ে বসেছিল। দেখেই বোঝা যাচ্ছিল বেজায় মন খারাপ বেচারার। একখানা লাল সূতীর রুমালকেই গায়ে জড়িয়েছিল জামার মত।
-“পিটার!” ফিসফিসিয়ে ডাকল ছোট্ট বেঞ্জামিন।
-“তোর কোট প্যান্টালুন কে নিল রে?”
পিটার উত্তর দিল,
-“কে আবার! মিস্টার ম্যাকগ্রেগরের বাগানের কাকতাড়ুয়াটা।”
এই বলে পিটার কীকরে মিস্টার ম্যাকগ্রেগরের বাগানে তাড়া খেল, কোট আর জুতোজোড়া হারাল সব ঘটনা খুলে বলল ভাইকে।
ছোট্ট বেঞ্জামিন বসল ভাইয়ের পাশে। ভাইকে নিশ্চিন্ত করে খবর দিল যে একটু আগেই মিস্টার ম্যাকগ্রেগর ঘোড়ার গাড়ি চেপে বাইরে গেছেন। নির্ঘাৎ সারাটা দিনের জন্যই গেছে কারণ মিসেস ম্যাকগ্রেগর ওঁর সবচেয়ে সুন্দর টুপিখানা মাথায় চাপিয়েছেন।
পিটার বললে,
-“আজ বেশ বৃষ্টি হয় ঝমঝমিয়ে, খুব ভালো হয় তাহলে।”
দুই ভাইয়ের বকমবকমের মাঝেই মিসেস ব়্যাবিটের গলা ভেসে এল গর্তের ভেতর থেকে।
-“কটনটেল! কটনটেল! কোথায় গেলি বাছা। আরও ক’টা ক্যামোমাইল ফুল নিয়ে আয় তো দেখি।”
মায়ের গলা কানে যেতেই পিটার বললে,
-“চল বেঞ্জামিন। একটু হেঁটে আসি। তাতে যদি মনটা আমার একটু ভালো হয়।”
পিটার আর বেঞ্জামিন দুই ভাই হাত ধরাধরি করে চলল মিস্টার ম্যাকগ্রেগরের বাগানের দিকে। প্রথমেই গিয়ে বনের পাদদেশে চওড়া পাঁচিলটা বেয়ে উঠে, তার মাথায় দাঁড়াল দুটিতে। পাঁচিলের ওপর থেকে মিস্টার ম্যাকগ্রেগরের গোটা বাগানটা দিব্যি দেখা যাচ্ছে। পিটারের সেই নীল জ্যাকেট আর জুতোজোড়াও সাফ দেখা যাচ্ছে দূরে দাঁড়ানো কাকতাড়ুয়াটার গায়ে। কাকতাড়ুয়াটার মাথায় আবার মিস্টার ম্যাকগ্রেগরের উলের গোল বলের মত থুপীওয়ালা টুপি চাপানো একটা।
ছোট্ট বেঞ্জামিন বলল,
-“গেটের তলা দিয়ে গলে ঢুকতে গেলে জামাকাপড় দুমড়েমুচড়ে নষ্ট হবে খামোকা। সবকিছুরই একটা সোজা উপায় আছে বুঝলি? যেমন মিস্টার ম্যাকগ্রেগরের বাগানে ঢোকার সবচে’ সহজ রাস্তা হল ন্যাশপাতি গাছ বেয়ে ভেতরে নেমে যাওয়া।”
বেঞ্জামিনের বুদ্ধিমত সেইটেই করতে গেল পিটার কিন্তু হ্যাঁচোড়প্যাঁচোড় করে নামতে গিয়ে মুখ থুবড়ে মাথা ঠুকে পড়ল আগে। অবিশ্যি তাতে পিটারের বিশেষ কিছু চোট লাগল না বরাতজোরে। গাছের তলার মাটিটা সদ্যই বেশটি করে খুঁড়ে ঝুরঝুরে নরম করা ছিল। লেটুসের চাষ হয়েছে গোটা জায়গাটা জুড়ে। সেই কচি লেটুস জমির ওপরটা ছোট্ট ছোট্ট পায়ের ছাপে ভরে গেল খানিকক্ষণের মধ্যেই। বিশেষ করে বেঞ্জামিনের পায়ের গামবুটজোড়ার ছাপগুলো আরও বেশি করে দেখা যেতে লাগল।
বেঞ্জামিন বললে,
-“চল! সব্বার আগে তোর জামাকাপড়গুলো উদ্ধার করি। নইলে তোকে এই লাল রুমাল পকেটে রাখার বদলে গায়েই জড়িয়েই থাকতে হবে!”
পিটার আর বেঞ্জামিন মিলে কোট আর জুতোজোড়াটা কাকতাড়ুয়ার খড়ের গা থেকে খুলে নিল। আগের দিনই রাতভর বৃষ্টি হয়েছে। জুতোজোড়ার ভেতরটা জল থইথই করছিল। শুধু তাই নয়, কোটটাও যেন খানিকটা খাটো হয়ে গেছে বহরে। বেঞ্জামিন থুপিওয়ালা টুপিটা মাথায় চাপাল কিন্তু সেটা এতই ঢাউস যে বেঞ্জামিনের চোখই ঢাকা পড়ে যেতে লাগল।
শেষমেষ টুপি ফেলে বেঞ্জামিন বুদ্ধি দিল,
-“চল এই পকেট রুমালটায় অন্তত পেঁয়াজ ভরে নিয়ে যাই। আন্টি ব়্যাবিট উপহার পেয়ে খুব খুশি হবে।”
পিটারের অবিশ্যি যে বিশেষ মজা পাচ্ছিল ব্যাপারটায় তা নয়, উল্টে বারবার কানে এটাসেটা আওয়াজ আসছে খেয়াল করতে লাগল।
ওদিকে বেঞ্জামিন দিব্যি হাত পা ছড়িয়ে মজা করে একটা লেটুসপাতা চিবোতে চিবোতে ঘুরে বেড়াতে লাগল। সঙ্গে বকবক করতে লাগল,
-“জানিস পিটার আমি প্রায়ই তো আসতুম এই বাগানে বাবার সঙ্গে, রবিবার রাতের ডিনারের জন্য লেটুসপাতা তুলতে।”
ছোট্ট বেঞ্জামিনের বাবার নাম ছিল ওল্ড মিস্টার বেঞ্জামিন বানি।
লেটুস পাতাগুলো সত্যিই খেতে ভারি সুস্বাদু।
কিন্তু পিটার কিছুই খেল না। বারবার বলতে লাগত,
-“চল না বেঞ্জামিন বাড়ি ফিরে যাই, আমার বিশেষ সুবিধের ঠেকছে না এখানে বেশিক্ষণ থাকাটা।”
এই বলতে বলতে চঞ্চল হয়ে আদ্দেক পেঁয়াজই হাত থেকে ফেলে দিল।
ছোট্ট বেঞ্জামিন বললে,
-“এই এত সব্জিপাতি হাতে নিয়ে বাপু ন্যাশপাতি গাছ বেয়ে ওঠা মুশকিল। তার চেয়ে বরং চল বাগানের শেষমাথার দিকে যাই।”
এই বলে সে থপ থপাস করে লাল ইঁটের দেওয়ালের গা বরাবর বিছোনো কাঠের তক্তাগুলোর ওপর দিয়ে হেঁটে চলল।
ছোটো ছোটো ইঁদুরগুলো তাদের গর্তের সামনে বসে ফলের বীজ ভাঙার চেষ্টা করছিল। কতরকমের ফলের বীজ! চেরিফলের বীজ, পিচ ফলের বীজ, প্লামের বীজ। পিটার আর বেঞ্জামিনকে যেতে দেখে তারা পুটুস পুটুস করে চোখ মেলে দেখতে লাগল।
সেইদিকে দেখতে দেখতে পিটারের হাত থেকে পেঁয়াজভরা রুমালটা আবার দুম করে পড়ে গেল।
দুই ভাই মিলে ফুলের টব, সব্জির মাচা, জলের গামলার ফাঁক দিয়ে এদিক ওদিক গলে হাঁটতে থাকলে। যত এগোতে লাগল পিটারের কানে তত যেন অদ্ভুত কিম্ভুত শব্দ আসতে লাগল। চোখদু’টো ললিপপের মত বড় বড় করে পিটার নজর করতে লাগল ডাইনে বাঁয়ে।
পিটার বেঞ্জামিনের দু-কদম আগেই হাঁটছিল। হঠাৎই হাঁটা বন্ধ করে থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল। দুই ভাই পথের সামনেই যা দেখল তাইতে তাদের আত্মারাম খাঁচাছাড়া হওয়ার জোগাড়। বেঞ্জামিন এক ঝলক সেইটা দেখেই এক পলকের মধ্যে পেঁয়াজবাঁধা রুমালসহ পিটারকে টানতে টানতে গিয়ে লুকলো বড়সড় একটা ঝুড়ির তলায়।
ভাবছ বুঝি ওরা কী এমন দেখে এমন সাংঘাতিক ভয় পেল?
বেড়াল! একটা হুমদোহামদা বেড়াল।
বেড়ালটা শুয়েই ছিল। তারপর বাবু আড়মোড়া ভেঙে উঠল। খানিক পিঠ বাঁকিয়ে হাত পা টানটান করে কসরৎ করল। দুলকি চালে এগিয়ে এল ঝুড়িটার দিকে। মুখটা নিচু করে গন্ধ শুঁকতে লাগল ঝুড়িটার। নির্ঘাৎ পিটার আর বেঞ্জামিনের রুমালে জমা করা পেঁয়াজগুলোর গন্ধ পেয়েছে ব্যাটা।
যাই হোক, গন্ধটন্ধ শুঁকেটুকে শেষমেষ সে বেড়াল চেপে বসল ঝুড়িটারই মাথায়।
বসে রইল তো বসেই রইল, নড়ার আর নামচর্চা নেই। টানা পাঁচ পাঁচটা ঘন্টা বসে রইল সেখানে।
তোমাদের বলে বোঝাতে পারব না বুঝলে যে পিটার আর বেঞ্জামিনের সেই ঝুড়ির তলায় কী দশা হচ্ছিল! একে তো ঝুড়ির তলাটা ঘন অন্ধকার তার ওপর পেঁয়াজের ঝাঁঝালো গন্ধ! এই দুইয়ের ঠ্যালায় তো পিটার আর বেঞ্জামিনের ডাক ছেড়ে কাঁদার অবস্থা প্রায়! নেহাতই ঝুড়ির ওপর বেড়ালটা বসে আছে তাই মুখে হাতচাপা দিয়ে রয়েছে দুই ভাই।
কতক্ষণ যে ঝুড়িচাপা হয়ে রইল দুটিতে। সূয্যিমামা ধীরে ধীরে পেছনের জঙ্গলের আড়ালে গা-ঢাকা দিল। বিকেল গড়িয়ে সন্ধে নামল, তাও বেড়ালব্যাটা ঝুড়ির ওপর থেকে নামল না।
পিটার আর বেঞ্জামিন মুক্তির আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছে, এমন সময় একটু দূরেই কেমন একটা খুটুর খাটুর শব্দ হতে লাগল। শুধু আওয়াজই নয় ওপরের চাল থেকে বেশ কিছু চোকলা খসে পড়তে লাগল।
বেড়ালটা চমকে যেই না ওপরে তাকালো দেখতে পেল
ওল্ড মিস্টার বেঞ্জামিন বানি মানে ছোট্ট বেঞ্জামিন বানির বাবাকে। চালের ওপর তিড়িংবিড়িং করে লাফিয়ে বেড়াচ্ছেন। ঠোঁটের ডগায় ঝুলছে একটা পাইপ, তাতে ল্যাভেণ্ডার মানে খরগোশ স্পেশাল তামাক। আর হাতে গাছের ডালের একটা লিকলিকে ছড়ি। মিস্টার বেঞ্জামিন ছেলেকে খুঁজতে বেরিয়েছেন।
ওল্ড মিস্টার বেঞ্জামিন বানি খুব একটা বেড়ালদের পছনেদ করতেন না। বেড়ালদের সম্পর্কে একটু নাকউঁচু ভাবই ছিল।
নিচে ঝুড়ির ওপর বেড়ালটাকে বসে থাকতে দেখে মস্ত একটা লাফ দিলেন চালের ওপর থেকে সোজা বেড়ালের ঘাড়ে। সেই জোরদার ধাক্কায় বেড়ালব্যাটা হুড়মুড়িয়ে পড়ে গেল ঝুড়ির ওপর থেকে। তারপর মিস্টার বেঞ্জামিন জোরসে পা ছুঁড়ে এক লাথিতে বেড়ালটাকে সোজা ঢুকিয়ে দিলেন বাগানের ঘরটায়। তার সঙ্গে এক খাবলা লোমও আঁচড়ে ছিঁড়ে নিলেন বেড়ালের গা থেকে।
বেড়ালটা হঠাৎ এই আক্রমণে এতটাই ভয় পেয়েছিল যে উল্টে মিস্টার বেঞ্জামিনকে আঁচড়ে দিতেও ভুলে গেল।
ওদিকে মিস্টার বেঞ্জামিন বেড়ালটাকে বাগানের ঘরটায় ঢুকিয়ে বাইরে থেকে দিলেন হুড়কো তুলে।
তারপর ঝুড়ির কাছে ফিরে এসে সেটা তুলে ছোট্ট বেঞ্জামিনের কানটি ধরে টেনে বার করে আনলেন। হাতের ছড়িটা দিয়ে ঘা-কতক দিলেনও ছেলের পিঠে। তারপর একে একে বার করে আনলেন ভাইপো পিটারকে আর সবশেষে রুমালে বাঁধা পেঁয়াজগুলোকে। সবকিছু বগলদাবা করে বীরদর্পে হেঁটে বেরিয়ে এলেন বাগান থেকে।
ওদিকে মিস্টার ম্যাকগ্রেগর যখন ফিরে এলেন আধঘন্টাটাক পরে, তখন বাগানের হাল দেখে তো হতভম্ব হয়ে গেলেন। এমন মনে হচ্ছে যেন কেউ সারা বাগানে একজোড়া গামবুট পরে দৌরাত্ম্য করে বেড়িয়েছে। আরও আশ্চর্যের কথা বল গামবুট পরা পায়ের ছাপগুলো অস্বাভাবিক রকমের ছোটো ছোটো। শুধু কী তাই? বেড়ালটাও নিজেই নিজেকে কীকরে গ্রিন হাউসটার ভেতর বন্দী করে, দরজার বাইরের খিল আটকাল, সেটাও ভেবে কূলকিনারা পেলেন না।
এদিকে পিটারেরও কপাল ভালো, যখন বাড়ি ফিরল মা তখন আর রাগটাগ না করে ছেলেকে ক্ষমা করে দিল। কারণ পিটার নিজের কোট আর জুতো খুঁজে পেয়েছে সেই দেখেই মা বেজায় খুশি হল কিনা। কটনটেল আর পিটার দুজন মিলে সেই লাল রুমালটা পরিপাটি করে ভাঁজ করে রাখল। মিসেস ব়্যাবিট অত কষ্ট করে উদ্ধার করে আনা পেঁয়াজগুলো দড়িতে মালার মত করে গেঁথে ঘরের সিলিং থেকে ঝুলিয়ে দিলেন, ল্যাভেন্ডার মানে খরগোশ তামাকের পাশেই।
(সমাপ্ত)

No comments:
Post a Comment